মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

দর্শনীয় স্থান

ক্রমিক নাম কিভাবে যাওয়া যায় অবস্থান
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ঢাকা থেকে এ উপজেলায় যাতায়াতের জন্য সড়ক ও রেল পথ দিয়ে সহজে যাতায়াত করা য়ায় । সড়ক পথ হিসেবে ঢাকা থেকে সরাসরি উল্লেখ্যযোগ্য বাস সার্ভিস পার্শ্ববর্তী শ্রীমংগল উপজেলায় চালু আছে। শ্রীমংগল থেকে লোকাল সার্বিসে (বাস/সিএনজি) ১৬ কি:মি: পথ অতিক্রম করে পূর্বদিকে কমলগঞ্জ সদরে আসা যায় । অপরদিকে ঢাকা থেকে রেল পথে ভানুগাছ এবং শমসেরনগর রেলওয়ে ষ্ষ্টেশনে অবস্থান করতে হয় । উক্ত স্থান হতে স্থানীয় ভাবে সিএনজি/বাস যোগে দর্শনীয় স্থান সমুহে যাতায়াত করা যায় । প্রয়োজনে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় গাইডম্যান সহযোগে দর্শনীয় স্থানে যাতায়াত করা যায় । দর্শনার্থীদের জন্য সংরক্ষিত আছে ।
নবাব বাড়ী কুলাউড়া উপজেলা হতে ১০কিমি দুরে পৃথিমপাশায় ইউনিয়নে নবাব বাড়ী অবস্থিত।
মৌলভীবাজার জেলার পর্যটন আকর্ষণীয় স্থান ও ইহার বৈশিষ্ট্য সম্বলিত সচিত্র প্রতিবেদন ঢাকা থেকে বাস, ট্রেন যোগে মৌলভীবাজার জেলায় আসা যায়।
নয়নাভিরাম হামহাম জলপ্রপাত বাস, ট্রেন বা বিমান যেভাবেই যান না কেনো প্রথমে আপনাকে মৌলভীবাজার অথবা শ্রীমঙ্গল স্টেশনে নামতে হবে। সেখান থেকে যেতে হবে কমলগঞ্জ। যারা এ জায়গায় যেতে ইচ্ছা পোষণ করবেন তাদের কমলগঞ্জ অথবা শ্রীমঙ্গল শহর হতে যানবাহন ভাড়া করতে হবে ভোর ছয়টার মধ্যে। তাহলে চাম্পারার চা বাগানে কলাবনপাড়ায় পৌঁছতে পারেন সাড়ে সাত বা আটটার মধ্যে। কলাবনপাড়া হতে হামহাম জলপ্রপাতে যেতে-আসতে প্রায় ৫ ঘণ্টা সময় লেগে যায়। শ্রীমঙ্গল থেকে লাউয়াছড়া যাওয়ার জন্য সিএনজি ও জীপ রয়েছে। এছাড়া স্থানীয় ভানুগাছা বাসস্ট্যান্ড থেকে লাউয়াছড়া যাওয়ার লোকাল বাসও রয়েছে। লাউয়াছড়া বনের গাঁ ঘেঁষে আঁকা বাঁকা পাহাড়ি পথ, টিলা কাঠের গুড়ি দিয়ে বানানো সাঁকো দিয়ে ঘণ্টা খানেক হাঁটলেই আপনি পৌঁছে যাবেন কলাবানপাড়া। এছাড়াও কমলগঞ্জ পৌরসভার মোড় থেকে কলাবান পর্যন্ত দূর ২৪ কিলোমিটার। এই ২৪ কিলোমিটারের মধ্যে কুড়মা পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার পাকা রাস্তা এবং বাকিটা পথ কাঁচা। কলাবনপাড়ায় থেকে হাঁটার রাস্তা। প্রায় ৮ কিলোমিটারের মতো পাহাড়ি পথ শেষে হামহাম ঝর্ণার দেখা মিলবে।